বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০০৯

 

টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানায়।
কেনো বিখ্যাত: 

মধুপুরের ধনবাড়ি মসজিদও দেখার মতো। এটি প্রাচীন আমলের কীর্তি। একসময় ধনপতি সিংহ নামে এক নৃপতি রাজত্ব করতেন বলেই এর নাম ধনবাড়ি হয়েছে। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলের মুঘল সেনাপতি ইস্কান্দার খান ও তার ভাই মনোয়ার খান এ স্হানের জমিদার ছিলেন। তাদের নির্মিত মসজিদটি ছাড়াও এই দুই ভাইয়ের কবর দেখতে পাবেন ধনবাড়িতে। নওয়াববাড়িও দেখবেন এই ধনবাড়িতে। নওয়াব মঞ্জিল দেখতে গিয়ে জানবেন, মরহুম নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী ধর্মীয় ও দাতব্য কাজে সহযোগিতার জন্য ১৯২৯ সালের ৮ এপ্রিল মধুপুর উপজেলার কিসমত ধনবাড়ি, বর্ণিচন্দবাড়ি, কয়রা, মুশুদ্দী ও কেরামজানি মৌজার ৮৮ একর ১২ শতাংশ ভূমি ‘নওয়াব আলী খোদাবকস ওয়াক্‌ফ এস্টেট’ নামে ওয়াকফ করে দিয়ে যান। ধনবাড়ি নওয়াব বাড়ির দৃষ্টিন্দন স্হাপত্যগুলোর মধ্যে রয়েছে নওয়াব মঞ্জিল, নওয়াব প্যালেস, নওয়াব শাহ মসজিদ, অন্দর মহল, বিশাল দীঘি, মিউজিয়াম, নানা রকম ফুলের বাগান। নওয়াব মঞ্জিলটি ছিল নওয়াব সাহেবের প্রাচীন আবাস কক্ষ। কারুকার্য খচিত এই ভবনটির ভিতরে নবাবী আমলের আসবাবপত্র রয়েছে। 
কিভাবে যেতে হয়: 

ঢাকার মহাখালী থেকে বিনিময় পরিবহনে সরাসরি ধনবাড়ি যাওয়া যায়। বাস ভাড়া ১২০ থেকে ১৫০ টাকা।
 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন